dilip kumar paul, mla silchar, dilip paul mla, mla cachar, cachar mla website, silchar mla website, dilip kr paul mla, dilip kumar paul website, silchar mla dilip paul, cachar mla dilip paul, dilipkumarpaul.org

dilippaulmini

আমার জন্ম ১৯৫৬ সালের ১৯ মার্চ | বরাক উপত্যকায় | আমি…শুধু আমি কেন আমার বয়সি অনেকেই দেশভাগের বলি | আমরা উদ্বাস্তু সন্তান | তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে আমার বাবা-মা, দিদিমা, দুই মামা, জেঠামশাই ভারতে এসেছিলেন ১৯৫০ সালের ২ এপ্রিল | তারা থাকতেন ময়মনসিংহে | আমার জন্ম তারাপুর | কিন্তু উদ্বাস্তুর যে যন্ত্রণা,দুঃখ সবই আমায় how to prevent global warming essay পেয়েছি | তীব্র জীবনসংগ্রাম, কোনোরকম বেঁচে থাকার জন্য এদিক ওদিক বাস করা, কাজের সন্ধান; সংসারে অনেক সদস্য অথচ কাজের ঠিক নেই…..ভয়ঙ্কর যন্ত্রণা | অবর্ণনীয় কষ্ট |

আমার মতো একজন সামান্য মানুষকে যে শিলচরের মানুষরা পছন্দ করেছেন, ভারতীয় জনতা পার্টি যে পছন্দ করেছে এজন্য আমি কৃতজ্ঞ |

 

বিধায়ক হলেই তো কেউ আর অসাধারণ হয় না | বাবা ছিলেন ছোটোখাটো ব্যবসায়ী | আমরা ছয় ভাই | আমি সবচেয়ে বড় | এদিকে পড়াশোনা করি, অন্যদিকে ব্যবসা দেখি | এভাবে গুরুচরণ কলেজ থেকে বাণিজ্যে স্নাতক হই | ১৯৭৭ সালে | তার আগেই ব্যবসা শুরু করেছি | খুব কঠিন দিন গেছে |

 

আমার ধারণা স্বাধীনোত্তর কালে উদ্বাস্তুরা সাধারণভাবে কংগ্রেস বিরোধী ছিলেন |

 

আমি ১৯৮৩ সালে ভাজপার প্রাথমিক সদস্য হয়েছিলাম | কবীন্দ্র পুরকায়স্থ তখনই বড় নেতা | তিনি ছিলেন আমাদের পথ প্রদর্শক| তবে আমি তখন সক্রিয় কর্মী ছিলাম না | সংসার চালানোই তখন প্রধান কর্তব্য ছিল | ব্যবসা করতাম | আর সেই সূত্রেই যত মানুষের সঙ্গে পরিচিত হতাম তাদের বলতাম কীভাবে একজোট হওয়া যায় | সুন্দর সমাজ গড়া যায় |

 

১৯৯৬ থেকে আমি সক্রিয় সদস্য | সেবার আমাকে ১১ নং ওয়ার্ডের ভারতীয় জনতা পার্টির ওয়ার্ড প্রেসিডেন্ট করে দেওয়া হল | আমায় অনুপ্রাণিত করেছিলেন শিক্ষক পান্নালাল বক্সী | আমি জানতাম না এত মানুষ আমায় ভালোবাসেন, পছন্দ করেন | মানুষের সঙ্গে দেখা করি, কথা বলি, সবাই আমায় দুহাত ভরে আশীর্বাদ দিয়েছিলেন | এভাবে ২০০৯ আসে গেলো | ভোটে প্রার্থী করা হল আমাকে | জিতেও গেলাম | সেটা ছিল মিউনিসিপ্যালিটি ভোট | ওয়ার্ড কমিশনার হয়েছিলাম | সেখানে আমার ভূমিকা সবাই জানেন | নতুন করে কিছু বলার নেই |

 

২০১৪ | লোকসভা নির্বাচনে শিলচরের বিধায়ক হয়ে গেলেন সাংসদ | তিনি আবার কংগ্রেসের | তার খালি আসনেই ভোটে হবে | শিলচর তখন ছিল কংগ্রেসের দখলে আর লোকসভায় গোটা দেশে জিতেছে আমাদের দল | উপনির্বাচনে প্রার্থী করা হল আমাকে | কঠিন লড়াই ছিল, তবে জিতেছি | তখন থেকে আজ পর্যন্ত আমি বিধায়ক | মাত্র দুবছর | দু দুটো ভোট |

 

একটা কথা খুব জোর দিয়ে বলবো যে আমি কখনো অসততার আশ্রয় নেইনি, দুর্নীতিকে সমর্থন করিনি, মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেয়নি, লোককে ঘোরাইনি | এবং ভবিষ্যতেও এগুলো আমার থেকে কেউ পাবে না | যেভাবে essay writing topics এতদিন বেঁচেছি, আগামী দিনগুলিতেও সেরকমই থাকব | আমার নৈতিক শিক্ষাগুরু বাবা | ব্যবসা করেছি ঠিকই, কিন্তু কখনো কাউকে ঠকাইনি | এবং এজন্যেই লোকজনের ভালোবাসা পেয়েছি |